শিরোনাম

পর্দা সংক্রান্ত কয়েকটি জরুরী মাসআলা

পর্দার মাসআলা: ইসলামে নারীর পর্দার গুরুত্ত অনেক। পর্দা সম্পর্কে কুরআনের আয়াত, পর্দা সম্পর্কে হাদীস অনেক রয়েছে। যার দ্বারা ইসলাম পর্দা করা ফরজ করে দিয়েছে। তাই পর্দা সংক্রান্ত কয়েকটি জরুরী মাসআলা আপনাদের খেদতমে পেশ করার চেষ্ট করেছি।পর্দার ব্যাপারে সমাজে অনেক ভুল ধারনা আছে। কাদের সাথে পর্দা করা জরুরী- এটা নিয়েও বিভ্রান্তি আছে। কখন থেকে নারীর পর্দা শুরু হবে তাও অনেকের কাছে অস্পষ্ট। তাই এখানে কয়েকটি জরুরী মাসআলা বেহেশতী জেওর ও ইসলাহে খাওয়াতিন থেকে উল্লেখ করা হচ্ছে।

(১)মাসআলা: কোনো মাহরাম পুরুষ ছাড়া শুধু নারীদের দূরবর্তী স্থানে যাতায়াত ও সফর করা হারাম।

(২)মাসআলা: মেয়েদের মাথার চুলও পর্দার অঙ্গ, তাই মাথার চুল যেমনিভাবে পরপুরুষকে দেখানো নাজায়েয,তেমনি মাথা থেকে উঠে যাওয়া চুলও এমন স্থানে ফেলে রাখা নাজায়েয, যেখানে পরপুরুষের দৃষ্টি পড়তে পারে।

(৩)মাসআলা: বেগানা নারী পুরুষের বিনা প্রয়োজনে কথা বলাও নিষেধ। একান্ত প্রয়োজনে শুধু প্রয়োজনীয় কথাটুকু বলবে, অতিরিক্ত নয়। বিশেষ করে হাসি-তামাশার কোনো কথা বলা যাবে না।

(৪)মাসআলা: বেগানা পুরুষের আলোচনা করা বা শোনা কিংবা ছবি দেখা বা মোবাইল-পত্রালাপ করা। মোটকথা তাদের সাথে যোগাযোগ ও সম্পর্ক রাখার সব কিছুই হারাম।

(৫)মাসআলা: বেগানা পুরুষের পোশাক বা ব্যবহার করা জিনিস দেখাও হারাম, যদি দেখলে মন তার প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং সুখানভুতি আসে।

(৬)মাসআলা: মেয়েদের চুল আপন অবস্থায় রাখতে হবে, কেটে বাবরীর মত ছোট করে রাখা জায়েয নেই। বিশেষ প্রয়োজনে আগা থেকে একটু ছাটতে পারে মাত্র।

(৭)মাসআলা: নিজের পীরের সাথেও পর্দা করা ফরজ। তাকেও দেখা দেয়া যাবে না।

(৮)মাসআলা: পালিত ছেলে, ধর্ম ছেলে, ধর্ম বাপ, ধর্ম ভাই, ধর্মকুটুম সবাই পরপুরুষ। অতএব তাদের সামনে যাওয়াও নিষেধ।

(৯)মাসআলা: কোনো নাবালেগ মেয়ের দৈহিক গড়ন যদি এরুপ হয় যে, তাকে দেখলে পুুরুষের মনে কামভাব জাগ্রত হয় তাহলে তার হুকুম হবে সাবালিকা মেয়ের মত অর্থাৎ তার থেকেও পর্দা করেতে হবে। আর সেও মানুষের সামনে আসবে না।

(১০)মাসআলা: অন্ধ শিক্ষকদের দ্বারা যুবতী মেয়েদের লেখাপড়া শেখানোও নাজায়েজ।

(১১)মাসআলা: এমন পাতলা কাপড় পরাও নাজায়েজ যার বের হতে ভেতরের অঙ্গ-প্রতঙ্গ হাল্কা হলেও অনুভূত হয় বা দেখা যায়।

Alert! This website content is protected!